শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ - নিষ্ঠাবান বদরী সাহাবীগণ: হযরত উসমান বিন আফ্‌ফান (রা.)

রোজ শুক্রবার, ১৯শে মার্চ, ২০২১ইং

জুমুআর খুতবার সারমর্ম

এই জুমু’আর খুতবার সারাংশটিতে কোনো প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তার দায়ভার আহ্‌মদীয়া বাংলা টীম গ্রহণ করছে।

আহমদীয়া মুসলিম জামা’তের বিশ্ব-প্রধান ও পঞ্চম খলীফাতুল মসীহ্‌ হযরত মির্যা মসরূর আহমদ (আই.) গত ১৯শে মার্চ, ২০২১ইং ইসলামাবাদের মসজিদে মুবারকে প্রদত্ত জুমুআর খুতবায় পূর্বের ধারা অনুসরণে নিষ্ঠাবান বদরী সাহাবীদের বর্ণাঢ্য জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। এ খুতবায় হযরত উসমান (রা.)’র স্মৃতিচারণের ধারা অব্যাহত রাখেন এবং তাঁর শাহাদত পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা বর্ণনা করেন।

তাশাহহুদ, তাআ’ব্বুয ও সূরা ফাতিহা পাঠের পর হুযূর (আই.) বলেন, হযরত উসমান (রা.)’র স্মৃতিচারণ চলছিল; তাঁর শাহাদত-পরবর্তী ঘটনাবলী সম্পর্কে হযরত মুসলেহ্ মওউদ (রা.) লিখেছেন, এই ঘটনার পর পুরো মদীনা-ই বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তখন তারা যা করেছিল, তা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ও লজ্জাস্কর। তারা হযরত উসমান (রা.)-কে শহীদ তো করেছিল-ই, তদুপরি তাঁর লাশ সমাহিত করার ক্ষেত্রেও তাদের আপত্তি ছিল এবং তিনদিন পর্যন্ত তাঁর লাশ দাফন করা যায় নি। অবশেষে কয়েকজন সাহাবী সাহস করে রাতের বেলা তাঁর লাশ দাফন করতে গেলে এরা তাতেও বাঁধা দেয়; তখন কয়েকজন কঠোরভাবে তাদের প্রতিহত করার হুমকি দিলে অবশেষে তারা ক্ষান্ত দেয় বা নিবৃত্ত হয়।

হযরত উসমান (রা.) সম্পর্কে মহানবী (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, যা হযরত আবু মূসা আশআরী (রা.) বর্ণনা করেন। একদিন মহানবী (সা.) একটি বাগানে যান এবং তাকে বাগানের দরজায় পাহারায় দাঁড় করান। হঠাৎ এক ব্যক্তি এসে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি চান; মহানবী (সা.) বলেন, ‘তাঁকে ভেতরে আসতে দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও।’ তিনি ছিলেন হযরত আবু বকর (রা.)। একটু পর হযরত উমর (রা.) এলে তাঁর জন্যও মহানবী (সা.) একই নির্দেশ দেন। এরপর আরেকজন এসে অনুমতি চাইলে মহানবী (সা.) কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলেন, ‘তাকেও আসতে দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও, অবশ্য তাঁর ওপর এক ভয়ংকর বিপদ আপতিত হবে। আবু মূসা আশআরী (রা.) দেখতে পান, সেই ব্যক্তি হলেন, হযরত উসমান (রা.)।’ মহানবী (সা.) একদিন হযরত আবু বকর (রা.), উমর (রা.) ও উসমান (রা.)সহ উহুদ পর্বতে আরোহণ করেন; তখন উহুদ পাহাড় কাঁপতে শুরু করলে মহানবী (সা.) বলেন, ‘হে উহুদ, শান্ত হও! নিশ্চয়ই তোমার বুকে একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু’জন শহীদ রয়েছে!’ হযরত ইবনে উমর (রা.)ও বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) হযরত উসমান (রা.)’র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘এই ব্যক্তি সেই বিশৃঙ্খলার সময় নির্যাতিত অবস্থায় নিহত হবে।’

হযরত উসমান (রা.)-কে যেদিন শহীদ করা হয়, সেদিন তাঁর খাজাঞ্চির কাছে তার ৩ কোটি ৫ লক্ষ দিরহাম এবং দেড় লক্ষ দিনার ছিল, যার পুরোটাই আক্রমনকারীরা লুট করে নিয়ে যায়; তেমনিভাবে ‘রাবাযাহ্’ নামক স্থানে তাঁর এক হাজার উট ছিল; খায়বার, ওয়াদিউল কুরা প্রভৃতি স্থানে দু’লাখ দিনারের সমপরিমাণ সম্পদ রেখে যান, যা থেকে তিনি নিয়মিত সদকা দিতেন। হুযূর (আই.) বলেন, হযরত উসমান (রা.)’র নিজের বক্তব্য হল, খিলাফতের পূর্বে আমার অঢেল সম্পদ ছিল কিন্তু এখন মাত্র দু’টো উট অবশিষ্ট আছে যা আমি হজ্জের উদ্দেশ্যে রেখেছি- তাঁর এই কথার সাথে উপরোক্ত বর্ণনার সামঞ্জস্য বিধান করতে গিয়ে হুযূর বলেন, প্রথম সম্ভাবনা হল, এসব সম্পদ হযরত উসমান (রা.)’র তত্ত্বাবধানে থাকা রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় সম্পদ হতে পারে, যা বর্ণনাকারী তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ বলে মনে করেছেন। আবার এ-ও হতে পারে, এগুলো তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ হলেও তিনি কখনও এগুলো ব্যক্তিগত প্রয়োজনে জন্য ব্যয় করতেন না, বরং জনস্বার্থে এবং সদকা-খয়রাত হিসেবে ব্যয় করতেন।

একবার হযরত আলী (রা.)-কে হযরত উসমান (রা.) সম্বন্ধে কিছু বলতে বলা হলে তিনি বলেন, ‘তিনি এমন ব্যক্তি ছিলেন, ঊর্ধ্বলোকে অর্থাৎ আকাশেও যাকে যুন্নুরাঈন ডাকা হতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘হযরত উসমান (রা.) আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী ছিলেন।’ হযরত আয়েশা (রা.) যখন তাঁর শাহাদতের সংবাদ পান তখন বলেন, ‘এই লোকগুলো তাঁকে হত্যা করল, অথচ তিনি তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী এবং খোদাভীরু ব্যক্তি ছিলেন।’ ‘আল্ ইস্তিয়াব’-এ মহানবী (সা.)-এর নিজ জামাতাদের জন্য করা একটি দোয়ার উল্লেখ আছে; তিনি (সা.) বলেন, ‘আমি আমার প্রভু-প্রতিপালকের কাছে দোয়া করেছি, তিনি যেন এমন কোন ব্যক্তিকে আগুনে প্রবিষ্ট না করেন যিনি আমার জামাতা বা আমি যার জামাতা।’

হযরত উসমান (রা.) খুব লম্বা বা খাটোও ছিলেন না, বরং মাঝারি গড়নের ছিলেন। তাঁর চেহারা খুবই সুন্দর ছিল, তাঁর ত্বক কোমল এবং গায়ের রং গোধূম-বর্ণ ছিল, কাঁধ প্রশস্ত ছিল; তাঁর দাড়ি ছিল ঘন ও লম্বা, মাথার চুলও ঘন ছিল। তিনি দাড়িতে মেহেদি লাগাতেন। তার দাঁতগুলো সোনার তার দিয়ে বাঁধানো ছিল। মূসা বিন তালহার বর্ণনামতে তিনি জুমুআর দিন দু’টি হলুদ চাদর পরিধান করে খুতবা দিতে আসতেন; আযান শেষ হলে মোটা হাতলের বাঁকানো একটি লাঠিতে ভর দিয়ে তিনি উঠে দাঁড়াতেন এবং সেটি হাতে নিয়েই তিনি খুতবা দিতেন। রূপা দিয়ে বানানো মহানবী (সা.)-এর যে আঙটিতে ‘মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্’ খোদাই করা ছিল, সেই আঙটিটি মহানবী (সা.)-এর পর ক্রমান্বয়ে হযরত আবু বকর (রা.), উমর (রা.) ও উসমান (রা.)’র হাতে শোভা পেয়েছিল। হযরত উসমান (রা.)’র হাত থেকে একদিন তা একটি কূঁয়ায় পড়ে গিয়ে হারিয়ে যায়। হযরত উসমান (রা.) সেটি খোঁজার অনেক চেষ্টা করেন, সেটি খুঁজে আনার জন্য অনেক পুরস্কারও ঘোষণা করেন, কিন্তু তা আর পাওয়া যায় নি। এটি হারানোয় তিনি খুবই দুঃখিত হন। তিনি এটির মত দেখতে হুবহু আরেকটি আঙটি বানিয়ে নেন; তাঁর শাহাদতের সময় অজ্ঞাত পরিচয় কেউ একজন সেটি নিয়ে নেয়।

হযরত উসমান (রা.) ‘আশারায়ে মুবাশশারা’ বা সেই দশজন সৌভাগ্যবান ব্যক্তির একজন ছিলেন, যারা জীবদ্দশাতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করেছিলেন। স্বয়ং মহানবী (সা.) বলেন, ‘প্রত্যেক নবীর একজন সঙ্গী হয়ে থাকেন; (জান্নাতে) আমার সঙ্গী হবেন উসমান।’ আরেকবার মহানবী (সা.) হযরত উসমান (রা.)-কে আলিঙ্গন করে বলেছিলেন, ‘আনতা ওয়ালিয়্যি ফিদ্দুনিয়া ওয়া ওয়ালিয়্যি ফিল আখিরাহ্’ অর্থাৎ ‘তুমি পৃথিবীতেও এবং পরকালেও আমার বন্ধু।’ মুনাফিকরা হযরত উসমান (রা.) সম্পর্কে আপত্তি করতো যে, তিনি উহুদের যুদ্ধের দিন রণক্ষেত্র ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, বদরের যুদ্ধেও অংশ নেন নি, আবার বয়আতে রিযওয়ানেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। একবার হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমর (রা.)’র কাছে এক মিসরীয় এসে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে ইবনে উমর (রা.) সেই আপত্তিগুলোর খণ্ডনও তাকে শুনিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমি সাক্ষী দিচ্ছি, উহুদের যুদ্ধের ঘটনার বিষয়ে স্বয়ং আল্লাহ্ তা’লা পবিত্র কুরআনে তাঁর ক্ষমার ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলেন; তাঁর বদরের যুদ্ধে অংশ না নেয়াটাও মহানবী (সা.)-এর নির্দেশ পালনার্থেই ছিল, কারণ মহানবী (সা.) স্বয়ং তাঁকে তাঁর মৃত্যু পথযাত্রী স্ত্রী- নবীতনয়া হযরত রুকাইয়্যা (রা.)’র সেবা-শুশ্রূষার জন্য মদীনায় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর তাঁকে যুদ্ধলদ্ধ সম্পদে সমান অংশ প্রদান করে প্রকারান্তরে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বলেই গণ্য করেছেন। বয়আতে রিযওয়ানে অনুপস্থিতি সম্পর্কে বলেন, মক্কা উপত্যকায় হযরত উসমান (রা.)’র চেয়ে সম্মানিত কোন ব্যক্তি যদি থাকতেন, তাহলে মহানবী (সা.) তাকেই উসমান (রা.)’র পরিবর্তে মক্কায় দূত হিসেবে পাঠাতেন; মহানবী (সা.) তো বয়আতে রিযওয়ান তাঁর কারণেই নিয়েছিলেন এবং নিজের বাম হাতকে উসমানের হাত আখ্যা দিয়ে তাঁকেও সেই বয়আতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন!

বিভিন্ন সময়ে মসজিদে নববীর সম্প্রসারণেও হযরত উসমান (রা.)’র বিশেষ ভূমিকা ছিল। মহানবী (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় একজন আনসারী সাহাবীকে মসজিদে নববীর জন্য তার এক খণ্ড জমি দান করতে বললে তিনি অস্বীকৃতি জানান। উসমান (রা.) এটি জানতে পেরে দশ হাজার দিরহাম দিয়ে সেই জমি কিনে নেন এবং তা মসজিদের সম্প্রসারণের জন্য দান করে দেন, যার বিনিময়ে মহানবী (সা.) তাঁকে জান্নাতে একটি গৃহের সুসংবাদ দেন। মহানবী (সা.)-এর পর পর্যায়ক্রমে হযরত আবু বকর (রা.), উমর (রা.) ও উসমান (রা.) মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর রাখেন এবং অন্য সাহাবীরাও তাঁদের পর মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর রাখেন। প্রসঙ্গতঃ হুযূর (আই.) মসজিদে নববীর বিভিন্ন সময়ে সম্প্রসারণ, সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেন। ১ম হিজরী সনে যখন সর্বপ্রথম এই মসজিদ নির্মিত হয়, তখন তা দৈর্ঘ্যে ৩৫ মিটার ও প্রস্থে ৩০ মিটার ছিল। ৭ম হিজরীতে এর প্রথম সম্প্রসারণ হয়, যার জন্য হযরত উসমান (রা.) জমি কিনে দান করেন, যেটির উল্লেখ পূর্বে করা হয়েছে; এর ফলে মসজিদের আয়তন হয় ৫০ বাই ৫০ মিটার। হযরত আবু বকর (রা.) এর কোন পরিবর্তন করেন নি, তবে হযরত উমর (রা.) ১৭ হিজরীতে এর বেশ কিছুটা সংস্কার ও সম্প্রসারণ করান; এর আয়তন দাঁড়ায় ৭০ বাই ৬০ মিটার। হযরত উসমান (রা.) তাঁর খিলাফতকালে সবার সাথে পরামর্শ করে মসজিদটি ভেঙে পুনর্নির্মাণ করান; এই প্রথম মসজিদের নির্মাণে পাথর, জিপসাম, সাদা চুন, সিসা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় এবং মসজিদে খুব সুন্দর নকশাও করা হয়; মেহরাবে ইমামের সুরক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হয়। নির্মাণ কাজ চলাকালে হযরত উসমান (রা.) স্বয়ং দাঁড়িয়ে থেকে কাজের তদারকি করতেন, শ্রমিকদের সাথে নিয়ে নামায পড়তেন, কখনও ক্লান্ত হয়ে গেলে সেখানেই শুয়ে বিশ্রাম নিতেন। মসজিদের আয়তন তখন দাঁড়ায় ৮০ বাই ৭৫ মিটার। হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.) হযরত উসমান (রা.)’র স্থাপত্যকলায় আগ্রহের কারণে তাঁকে হযরত সুলায়মান (আ.)-এর সদৃশ আখ্যা দিতেন, হযরত সুলায়মান (আ.)-এর মত তাঁরও নির্মাণকাজের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। যে মসজিদের জন্য হযরত উসমান (রা.)’র এত ভালোবাসা ছিল, বিদ্রোহীরা তাঁকে সেই মসজিদেই নামায পড়তে বাঁধা দিয়েছিল। হযরত উসমান (রা.) ২৬ হিজরীতে মসজিদুল হারামেরও সম্প্রসারণ করেন, হারাম এলাকার আশেপাশের বাড়িঘর কিনে নিয়ে তা সম্প্রসারিত করা হয়। যারা স্বেচ্ছায় নিজেদের বাড়ি বিক্রি করতে রাজি হয় নি, তারা হযরত উসমান (রা.)’র বিরুদ্ধে হৈচৈ করেছিল। হযরত উসমান (রা.) তাদের বলেছিলেন, ‘জান, আমার বিরুদ্ধে তোমরা কেন হৈচৈ করতে সাহস পেয়েছ? এর কারণ হল আমার নম্রতা ও সহিষ্ণুতা। আমার পূর্বে হযরত উমর (রা.)ও এরূপ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে তোমরা টু শব্দটি করারও সাহস পাও নি!’ মহানবী (সা.)-এর সাহাবীদের মধ্যে হযরত উসমান (রা.) চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে তাঁর সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য রাখতেন, যা স্বয়ং মহানবী (সা.) নিজ কন্যা রুকাইয়্যা (রা.)-কে বলেছিলেন।

হযরত উসমান (রা.)’র স্মৃতিচারণ শেষ করে হুযূর (আই.) সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন নিষ্ঠাবান আহমদীর গায়েবানা জানাযা পড়ানোর ঘোষণা দেন; তারা হলেন রাবওয়ার মুয়াল্লিম ওয়াকফে জাদীদ মোকাররম মোবাশ্বের আহমদ রাঙ্গ সাহেব, ইসলামাবাদ জেলার প্রাক্তন আমীর মুনীর আহমদ ফররুখ সাহেব, রাওয়ালপিন্ডি জেলার প্রাক্তন আমীর ব্রিগেডিয়ার অবসরপ্রাপ্ত মুহাম্মদ লতিফ সাহেব এবং কিরগিস্তানের মোকাররম কোনোক-বেক ওমর-বেকোভ (Konokbek Omurbekov) সাহেব। হুযূর (আই.) প্রয়াতদের সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ করেন এবং তাদের বিভিন্ন ধর্মসেবার বিবরণ তুলে ধরেন এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন আর তাদের পদমর্যাদা বৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন। (আমীন)

Top